১৭ বছরের আন্দোলনে অবদান রেখেও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাচ্ছেন না, ক্ষোভ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতার

১৭ বছরের আন্দোলনে অবদান রেখেও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাচ্ছেন না, ক্ষোভ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতার ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৭:৫৭, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ গত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা থাকার পরও তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ না পাওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ছাত্রদল নেতা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

পোস্টে মিল্লাদ হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা শহরের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মতো ঢাকা কলেজেরও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। এসব আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে কলেজটির শিক্ষার্থীদের হামলা, মামলা, কারাবরণ ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, ১৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজধানীতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর দাবি, ঢাকা শহরকে চারটি ভাগে বিবেচনা করলে এর একটি বড় এলাকার আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে নিজের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাও পোস্টে তুলে ধরেন মিল্লাদ। তিনি জানান, ১৯ জুলাই ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সামনেই তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, গুলি বুকের বাঁ দিক দিয়ে প্রবেশ করে পিঠের দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। সেই আঘাতের পর থেকে এখনো পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি বলে জানান তিনি।

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ না দেওয়ার জন্য সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন মিল্লাদ হোসেন। তাঁর দাবি, ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বারবার একটি নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাদের প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন, কিন্তু ঢাকা কলেজের নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে তা করা হচ্ছে না।

নিজেদের সঙ্গে এমন আচরণকে অবিচার হিসেবে তুলে ধরে ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে মিল্লাদ হোসেন লেখেন, তাঁদের প্রতি করা অবিচারের বিচার আল্লাহ করবেন।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement