শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজের নিরাপত্তায় ৩২ ক্যামেরা, বসানো হয়েছে ১৮টি মনিটর

শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজের নিরাপত্তায় ৩২ ক্যামেরা, বসানো হয়েছে ১৮টি মনিটর ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১১:২৩, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ১৮টি বড় মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। বিমানবন্দরের আটটি লাগেজ বেল্ট এলাকায় চালু করা এই পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো এবং বেল্টে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া সরাসরি দেখতে পারছেন যাত্রীরা।

নতুন ব্যবস্থার আওতায় লাগেজ বেল্ট এলাকাগুলোতে স্থাপিত ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করা দৃশ্য ৬৫ ইঞ্চি আকারের মনিটরে দেখানো হচ্ছে। এতে যাত্রীরা তাঁদের লাগেজের পরিবহন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ লাগেজ ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগ তদন্তেও সহায়ক হবে।

লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের ক্যামেরা চালু থাকলে দায়িত্ব পালনের সময় কর্মীদের কার্যক্রম নথিবদ্ধ করা সম্ভব হবে, যা অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাইয়ে সহায়তা করতে পারে। তবে এ ব্যবস্থার বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

যাত্রীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নতুন মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর পর লাগেজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আগের তুলনায় পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। কয়েকজন যাত্রী জানিয়েছেন, বিমান থেকে নামার পর ১৫ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে তাঁরা লাগেজ হাতে পেয়েছেন। তবে এই সময়সীমা সব ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

লাগেজ চুরি, মালামাল হারানো এবং ট্রলির সংকটের মতো সমস্যাগুলো কমাতেও নতুন উদ্যোগটি ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীদের অভিযোগ উঠলে ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হতে পারে। তবে এসব সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান হয়েছে—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বিমানবন্দরের লাগেজ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানোর এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। নতুন ব্যবস্থাটি দীর্ঘমেয়াদে কতটা কার্যকর হয়, তা নির্ভর করবে এর নিয়মিত ব্যবহার, তদারকি এবং অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement