চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পৃথক অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পৃথক অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১১:৩৮, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম ও ঢাকার দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ ও স্বর্ণপেস্ট উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। চট্টগ্রামে রান্নার ফ্রাইপ্যান ও সবজি গ্রেটারের ভেতরে লুকানো স্বর্ণবার এবং ঢাকায় দুই যাত্রীর দেহের অভ্যন্তরে বহন করা ছয়টি ডিম্বাকৃতির স্বর্ণপেস্টের বস্তু জব্দ করা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

চট্টগ্রামে প্রায় ৯৮ লাখ টাকার স্বর্ণ জব্দ

রোববার সকাল ৭টায় আবুধাবি থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস৩৫০ ফ্লাইটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান কামরুল ইসলাম নামের এক যাত্রী। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রিন চ্যানেলে তাঁর ওপর নজর রাখছিলেন কাস্টমস গোয়েন্দারা।

ওই যাত্রী ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার বহনের ঘোষণা দিলেও অতিরিক্ত স্বর্ণ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে অন্যান্য সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁর ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়। এ সময় একটি ফ্রাইপ্যান ও সবজি গ্রেটারের ভেতরে কৌশলে লুকানো চারটি খণ্ডিত স্বর্ণবার পাওয়া যায়, যেগুলোর মোট ওজন ৪৬৬ গ্রাম।

ঘোষিত ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ মোট ৫৬৬ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। শুল্ক-করসহ উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৯৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

ঢাকায় দুই যাত্রীর দেহে মিলল স্বর্ণপেস্ট

একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে মালদ্বীপ থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস৩৩৮ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন মোহাম্মদ সোলায়মান ও জোবায়েদ আহমদ নামের দুই যাত্রী। তাঁদের তল্লাশি করে প্রত্যেকের দেহের অভ্যন্তরে লুকানো তিনটি করে মোট ছয়টি ডিম্বাকৃতির স্বর্ণপেস্টের বস্তু উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা বস্তুগুলোর প্রাথমিক মোট ওজন ২ কেজি ৭৩৪ গ্রাম। এগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। তবে বস্তুগুলোর মধ্যে প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ এখনো চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণের জন্য উদ্ধার করা বস্তুগুলো অবিকৃত অবস্থায় রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিশুদ্ধ স্বর্ণের ওজন এবং প্রকৃত মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement