বিয়ের একদিন পর তালাক, বরিশালে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিয়ের একদিন পর তালাক, বরিশালে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৮:৫২, ২৮ আগস্ট ২০২৫

বরিশালে পুলিশের এক সদস্য মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিয়ের একদিন পর নববধূকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নারী তানিয়া খানম বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের প্রাথমিক প্রেক্ষিতে সাইফুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার নয়াখালী চড়াইল গ্রামের মো. সুলতান আহমেদ মোল্লার ছেলে সাইফুল বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ইতিমধ্যেই বিবাহিত এবং তার এক পুত্র সন্তান রয়েছে। তানিয়া খানমের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর কর্মস্থলে, যিনি ঝালকাঠী সদরের ছত্রকান্দা গ্রামের।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ মে পারিবারিকভাবে ১ লাখ টাকা দেনমোহরে সাইফুল তানিয়াকে বিয়ে করেন। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন তার প্রথম পক্ষের ছেলে ইকবাল মাহমুদ সাব্বির। কিন্তু মাত্র একদিনের মধ্যে নববধূকে খোলা তালাক দেওয়া হয়। তানিয়া কারণ জানতে চাইলে সাইফুল তার প্রথম পক্ষের ছেলে সাব্বিরকে উদাহরণ হিসেবে দেখান। ভয়ের কারণে তানিয়া নিজের বাবার বাড়িতে ফিরে যান।

তানিয়ার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্পর্ক থাকলেও হঠাৎ ২৬ মে ২০২৪ তারিখে তাকে তালাকের কাগজ পাঠানো হয়। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ জুন তিনি বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রেজওয়ান জানান, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।

তানিয়া আরও জানিয়েছেন, এপর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু সমাধান বা রিপোর্ট পাননি। বরং মিথ্যা চুরির অভিযোগের ভোগান্তি তাদের উপরে চাপাচ্ছে। তিনি পুনরায় বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি এবং পুলিশ সদর দপ্তরে সুষ্ঠু বিচার ও সমাধানের জন্য আবেদন করবেন।

অভিযোগের বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সাইফুল বলেন, তানিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে, কিন্তু প্রথম পক্ষের ছেলে ও পরিবারের অনুরোধে বাধ্য হয়ে তালাক দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তদন্ত চলছে, তাই বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

তানিয়া দাবি করেছেন, কেন বিয়ে হওয়ার একদিনের মধ্যেই তালাক দেওয়া হলো, তা অবশ্যই স্পষ্ট হওয়া উচিত।

BD/AN

শেয়ার করুনঃ
Advertisement