রংপুরে অটোরিকশা চালক হত্যাকান্ডের ঘটনায় গ্রেফতার ৪
Published : ১৫:০৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
রংপুরে অটোরিকশা চালক রবিউল ইসলাম হত্যাকান্ডের ঘটনায় মিঠু মিয়া (৩০), ইসমাইল হোসেন আবির (২০), নাসির মিয়া (৪৫) ও লেবু মিয়া (৪০) নামে ৪ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রংপুর নগরীর হাজীরহাট এলাকার আফসার আলীর ছেলে মিঠু মিয়া, উত্তম মাস্টারপাড়া গ্রামের হামিজ উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন আবির, গাইবান্ধা ডেভিড কো¤পানীপাড়ার মজিবর রহমানের ছেলে নাসির মিয়া ও চক মমরোজপুর গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে লেবু মিয়া।
শুক্রবার বিকালে জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হুসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত ১৭ ডিসেম্বর রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের গিড়িয়াপাড়া এলাকার একটি ডোবা থেকে রবিউল ইসলামের (২৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রবিউল ইসলাম নগরীর কেরানীরহাট বখতিয়ারপুর এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করাসহ অটোরিকশা চালাতেন। এ ঘটনায় গত ১৮ ডিসেম্বর গঙ্গাচড়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা হলে আসামিদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে পুলিশ। গত ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি বিভিন্ন স্থানে একাধিক অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ৪ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা পুলিশকে জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে পলাতক আসামি পারভেজ মিয়াসহ অজ্ঞাতরা অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রবিউল ইসলামকে হত্যা করে গঙ্গাচড়ার গিড়িয়াপাড়ার একটি কালভার্টের নিচে ঢুকিয়ে রাখে।
এরপর তারা ওই অটোরিকশাটি গাইবান্ধা সদর এলাকায় নিয়ে গিয়ে আসামি লেবু মিয়ার সহায়তায় অপর আসামি নাসির মিয়ার কাছে বিক্রি করে। পুলিশ ১৪ জানুয়ারী নগরীর বিসিক মোড় থেকে মিঠু মিয়াকে গ্রেফতার করে।
এরপর তার দেয়া তথ্য অনুসারে ইসমাইল হোসেন আবিরকে ওই রাতে নগরীর হাসনা বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ১৫ জানুয়ারি মামলার অপর আসামি নাসির মিয়াকে গাইবান্ধার ডেভিড কো¤পানী পাড়া থেকে এবং নাসিরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী লেবু মিয়াকে গাইবান্ধার দাস বেকারীর মোড় থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সাথে অটোরিকশাটি উদ্ধারসহ মামলার নানা আলামত জব্দ করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হুসাইন বলেন, রবিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ড ছিল রহস্যজনক, চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস। পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দিনরাত পরিশ্রম করে ৪ আসামীকে গ্রেফতারসহ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে। আসামিদের আদালতে নেয়া হলে বিচারক তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
বিডি/এএন




























