জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৬:১১, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আবদুল্লাহ এবং আরও এক যুবক মাঈনউদ্দীন গুরুতর আহত হন।

হামলাকারীরা ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল, যারা লাঠি ও চাকু নিয়ে হামলা চালায়। এই ঘটনা বদুরপাড়া পাক্কাদোকান এলাকা থেকে পেট্রোল পাম্পের সামনের সড়কে সংঘটিত হয়।

স্থানীয়রা ধারণা করছেন, হামলার সঙ্গে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচির যোগসূত্র থাকতে পারে। চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বিতর্কিত প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে জুলাইযোদ্ধারা নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন। স্থানীয় এক জুলাইযোদ্ধা মনে করছেন, স্মারকলিপি প্রদানের জেরেই এই হামলা সংঘটিত হয়েছে।

এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “জুলাইযোদ্ধাদের জন্য এখন বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছে, তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবেশ কখনোই স্বাভাবিক থাকতে পারে না।”

ঘটনার পর এনসিপি নেতা হাসান আলী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “আমার অত্যন্ত কাছের ছোট ভাই, জুলাইয়ের আহত গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর চন্দনাইশ বদুরপাড়ায় সন্দেহভাজন স্বৈরাচারের দোসররা হামলা চালিয়েছে। আমি এই দৃশ্য কোনোভাবেই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছি না।”

উল্লেখ্য, হাসান আলী আগে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন। পরে ১১ দলীয় জোট গঠনের পর তিনি চট্টগ্রাম–১৪ আসনে এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুকের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা করেন। হামলার ঘটনায় দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ ও মাঈনউদ্দীনের ঘনিষ্ঠরা।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement