একদিনের ব্যবধানে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,
ভরিতে ৫ হাজার ২৪৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দর।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই মূল্য বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি দাঁড়াবে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।
এ ছাড়া বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ভিন্নতার কারণে মজুরির পরিমাণে তারতম্য হতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি সোনার দামে সর্বশেষ সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা তখন পর্যন্ত ছিল সর্বোচ্চ।
সে সময় ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল।
সব মিলিয়ে চলতি বছরে দেশের বাজারে এখন পর্যন্ত ৯ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ দফা দাম বেড়েছে এবং ২ দফা কমানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে সারা বছরজুড়ে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।


































