ঐতিহাসিক জয়ের পর তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Published : ১২:১০, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাতে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসব ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন দলের মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান। এ সময় কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগেই নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় তারেক রহমানকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই ফোনালাপে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে ফ্রান্স, কাতার, চীন, সৌদি আরব, বিমসটেকসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকেও অভিনন্দন বার্তা আসে।
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই মোদির পক্ষ থেকে ফোনকলটি আসে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকার যৌথভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ভারত, চীন ও পাকিস্তানসহ মোট ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান সফল করতে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীতে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবে দেশের নতুন সরকার। ওই সময় পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। আর নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
বিডি/এএন




























