অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘এশিয়া পোস্ট’ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পথচলা শুরু করেছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীতে এশিয়া পোস্টের প্রধান কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন গণমাধ্যমের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।
দোয়া অনুষ্ঠানে এশিয়া পোস্টের প্রায় একশ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংবাদকর্মী, কলাকুশলী ও আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন। স্টুডিও কক্ষে আয়োজিত এই আয়োজনে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ যাত্রার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এশিয়া পোস্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোশাহেদ হাসান, সম্পাদক পলাশ মাহমুদ, হেড অব এইচআর-অ্যাডমিন ইসহাক আহমেদ চৌধুরী, হেড অব নিউজ শাকিল ফারুক, হেড অব প্রোগ্রাম শামসুজ্জামান শামস, হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট এএইচ মুরাদ, হেড অব স্পোর্টস সাজ্জাদ হোসেন, হেড অব সোশ্যাল মিডিয়া জুবায়ের আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য দায়িত্বশীলরা।
এশিয়া পোস্টের হেড অব নিউজ শাকিল ফারুক বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। তবে একইসঙ্গে সুসাংবাদিকতার জন্য নতুন ও শক্তিশালী সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোই এশিয়া পোস্টের লক্ষ্য। নতুন দিনের সাংবাদিকতার যে স্বপ্ন, সেটির বাস্তব রূপ দেওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম হবে এশিয়া পোস্ট। অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের সমন্বয়ে গঠিত একদল উদ্যমী সহকর্মীকে নিয়ে তারা সুসাংবাদিকতার সুদিন ফিরিয়ে আনতে চান বলেও জানান তিনি।
এশিয়া পোস্টের সম্পাদক পলাশ মাহমুদ বলেন, স্বাধীনভাবে কাজ করা এবং নিজস্ব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করতেই এশিয়া পোস্টের যাত্রা শুরু হয়েছে। স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম পরিচালনা করা নিঃসন্দেহে চ্যালেঞ্জের। তবুও সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেই এশিয়া পোস্ট পাঠকের কাছে পৌঁছাতে চায়। এশিয়া পোস্ট কেবল দেশের খবরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; দেশের বাইরের গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভুল সংবাদও পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে কাজ করে যাবে বলে জানান সম্পাদক।
এশিয়া পোস্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোশাহেদ হাসান বলেন, তাদের লক্ষ্য এশিয়া পোস্টকে দেশের অন্যতম শীর্ষ গণমাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা যেন পেশাগত ও ব্যক্তিগতভাবে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের তুলনায় আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারেন—সেই পরিবেশ তৈরি করাই তাদের প্রত্যাশা।






























