আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তমা রশিদ

আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তমা রশিদ ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২৩:৫৩, ৫ জানুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা তমা রশিদ এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। তিনি অংশ নিচ্ছেন ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ২০২৬’ প্রতিযোগিতায়।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেবেন।

এই অর্জনকে তমা রশিদ দেখছেন একদিকে সম্মান, অন্যদিকে বড় দায়িত্ব হিসেবে। তার ভাষায়, এই যাত্রা শুধুই ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং বাংলাদেশের নারীদের আত্মবিশ্বাস, সক্ষমতা ও ইতিবাচক গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার একটি সুযোগ।

তিনি বিশ্বাস করেন, নারীরা যদি নিজেদের শক্তির জায়গা চিনতে পারেন, তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তারা সমানভাবে উজ্জ্বল হতে পারেন।

তমা রশিদের এই পথচলায় পাশে থাকা মানুষদের অবদান তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। বিশেষভাবে তিনি উল্লেখ করেন এমএসটি আফসানা হেলালি আপুর কথা, যাঁর সাপোর্টকে তিনি নিজের যাত্রার একটি বড় শক্তি হিসেবে দেখেন।

মিসেস বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় বেস্ট স্পিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে আজ মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ হয়ে ওঠা পর্যন্ত, আফসানা আপুর প্রতিটি পরামর্শ তিনি হৃদয়ে ধারণ করেছেন। তার মতে, এই সহায়তা না পেলে নিজের ভেতরের সাহসকে হয়তো এত দৃঢ়ভাবে খুঁজে পেতেন না।

এছাড়া তমা রশিদ গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তার গ্রুমার ও বড় ভাই জিয়া দাদার প্রতি। তিনি জানান, জীবনের নানা পর্যায়ে জিয়া দাদা যে পরিবর্তনগুলো এনেছেন, তার মূল্য ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। একজন গ্রুমার হিসেবে নয়, একজন অভিভাবক ও অনুপ্রেরণাদাতা হিসেবেও তার ভূমিকা ছিল অনন্য।

তমা মনে করেন, আল্লাহ তাকে এমন একজন মানুষ দিয়েছেন, যার হাত ধরে তিনি নিজেকে নতুনভাবে চিনতে ও গড়ে তুলতে শিখেছেন। এছাড়া সৌন্দর্য্য বর্ধনে নাহিদ আহমেদ ও আন্তর্জাতিক প্লাটফ্রমে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য ষ্টুডিও ৮৯ কে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সব মিলিয়ে তমা রশিদের এই আন্তর্জাতিক যাত্রা শুধু একটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম ও সহযাত্রায় পাওয়া সমর্থনের গল্প।

মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ২০২৬-এ তার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের নারীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার বার্তা হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement