নির্বাচিত সরকারকে পে কমিশনের সুপারিশকৃত বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন বা বাতিল করার পুরো অধিকার থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে পে-কমিশনের প্রতিবেদন শুধু জমা দেওয়া হয়েছে, তবে অন্তর্বর্তী সরকার তা বাস্তবায়ন করবে না।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল নির্বাচিত সরকারের জন্য কোনো চাপ হিসেবে কাজ করবে না। অর্থাৎ, বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো সরাসরি কার্যকর হবে না; বরং মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি আর্থিক এবং অন্যান্য দিক বিশ্লেষণ করে সুপারিশ প্রদান করবে। পরবর্তী সরকার চাইলে ওই সুপারিশ পরিবর্তন বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে যে ক্ষোভ ছিল, তা মেটাতে অন্তর্বর্তী সরকার পে-কমিশন গঠন করেছে। গত বছরের ২৭ জুলাই গঠিত এই ২১ সদস্যের পে-কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি বিকেলে কমিশন প্রধান জাকির আহমেদ খান প্রতিবেদন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেন।
প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোর খাতিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে সর্বোচ্চ মূল বেতন ধার্য করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, আর সর্বনিম্ন মূল বেতন রাখা হয়েছে ২০ হাজার টাকা।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বেতন কাঠামোতে সমন্বয় করা হবে, কিন্তু বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের হাতে থাকবে, যা সরকারের আর্থিক নীতি ও প্রাপ্যতা অনুযায়ী সমন্বয় করা সম্ভব হবে।





























