ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৯
Published : ২০:২৩, ১ জানুয়ারি ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর মহাসড়কের বড় খোঁচাবাড়ি এলাকায় নৈশ কোচ ও তেলের লড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড় খোঁচাবাড়ি এলাকায় বলাকা উদ্যানের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতরা হলেন, তেলবাহী লরির চালক ও পৌর শহরের শাহাপাড়া এলাকার প্রভাত রায়ের ছেলে বিশ্বাস রায় (৪৫), হানিফ পরিবহনের চালক ও দিনাজপুরের বীরগঞ্জ এলাকার চাটালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শামসুল হক (৩৫), বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মফিজুল ইসলামের ছেলে তারেক আলী(২৬), শাহাপাড়ার এলাকার নাজিমউদ্দীনের ছেলে তৌয়বুর রহমান (৬০), মুসলিমনগর এলাকার জাবেদ আলীর ছেলে আইজার রহমান (৪০), বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বাসিন্দা আলামিনের ছেলে রিপন ইসলাম (৪২) ও দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পলাশবাড়ী এলাকার আবুল কালামের ছেলে শাহা আলম (৪৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে ঘন কুয়াশার কারণে হানিফ পরিবহনের একটি নৈশকোচ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একই কোম্পানির একটি তেলবাহী লরির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাস ও লরিটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে বাস ও লরির ২ চালক গুরুতর আহত হয়।
তাদের তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে চালক মো.শামসুল হকের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। গুরুতর আহত নৈশকোচের ড্রাইভার শামসুল হক( ৪৬)। তিনি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বটতলী এলাকার মৃত মতিবুর রহমানের ছেলে।
ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, আহত এক চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রেফার্ড করা হয়েছে। অন্য আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
বিডি/এএন
































