বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং পাকিস্তানের পার্লামেন্টের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক ঢাকায় এসেছিলেন।
নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসা এই দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায় অবস্থানকালে একে অপরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কথাবার্তায় অংশ নেন।
জানাজা ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে এস জয়শঙ্কর এবং সরদার আয়াজ সাদিক দুজনেই নিজ নিজ দেশে ফিরে যান। পাকিস্তানে ফেরার পর জিও টিভির একটি জনপ্রিয় টকশোতে ঢাকায় জয়শঙ্করের সঙ্গে হওয়া সাক্ষাৎ ও আলাপচারিতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন পাকিস্তানের স্পিকার।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জিও টিভির ‘আজ শাহজাইব খানজাদা কে সাথ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সরদার আয়াজ সাদিক বলেন, খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ থেকে আগত প্রতিনিধিরা ঢাকায় পৌঁছে প্রথমে জাতীয় সংসদ ভবনের অভ্যর্থনা কক্ষে একত্রিত হয়েছিলেন। সেখানেই এস জয়শঙ্করের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ ঘটে।
তিনি আরও জানান, অভ্যর্থনা কক্ষে তিনি তখন বাংলাদেশের নিযুক্ত পাকিস্তানি হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। ঠিক সেই সময় এস জয়শঙ্কর এগিয়ে এসে তাকে স্বাগত জানান এবং নিজের পরিচয় দেন। পাল্টা পরিচয় দিতে গেলে জয়শঙ্কর বলেন, তিনি তাকে আগেই চেনেন এবং নতুন করে পরিচয়ের প্রয়োজন নেই।
সাক্ষাৎকারে আয়াজ সাদিক বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন তার সঙ্গে করমর্দনের জন্য এগিয়ে আসেন, তখন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের ক্যামেরা ও সাংবাদিকরা বিষয়টি ঘিরে বেশ তৎপর হয়ে ওঠেন। তার ভাষায়, জয়শঙ্কর পুরো বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন এবং জানতেন যে তার প্রতিটি আচরণ মিডিয়ার ক্যামেরায় ধারণ করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের স্পিকার বলেন, জয়শঙ্কর অত্যন্ত সচেতনভাবেই তার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কীভাবে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে উপস্থাপিত হতে পারে, সে সম্পর্কে তিনি পুরোপুরি অবগত ছিলেন।


































