ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভা

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভা ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ০০:৫৩, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও জোরদার করার লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্য, সহনশীলতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার—এমন বার্তাই উঠে আসে সভা থেকে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামগ্রিক অগ্রগতির জন্য সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো ধরনের বিভাজন বা বৈষম্য নয়—বরং সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের দিকনির্দেশনা দেন।

এর আগে একই দিন সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক কর্মদিবস শুরু করেন তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তার কার্যালয়ে প্রথম পূর্ণাঙ্গ কার্যদিবস।

কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তারা শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কর্মদিবসকে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারেক রহমান তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় দায়িত্ব পালনকারী অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সঙ্গে দীর্ঘদিন পর সাক্ষাৎ করেন। তিনি অনেককে নাম ধরে কাছে ডেকে নেন, খোঁজখবর নেন এবং আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন। এতে কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক উষ্ণ ও মানবিক আবহ তৈরি হয়।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement