বিড়িতে সুখ টান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করেও দিতে পারে
Published : ১৫:৫০, ৯ জানুয়ারি ২০২৬
বিড়িতে সুখটান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন—এমন মন্তব্য করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।
তিনি বলেন, জীবনে কখনো ইবাদতের সুযোগ না পাওয়া কেউও যদি একটি বিড়ির সুখটানের মাঝেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত পৌঁছে দিতে পারে, তবে আল্লাহ চাইলে তার আগের সব গুনাহ মাফ করে দিতে পারেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ঝালকাঠির রাজাপুরে একটি নির্বাচনি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। ওই বক্তব্য তাঁর নামে পরিচালিত ফেসবুক পেজে লাইভ সম্প্রচার করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং আলোচনার জন্ম দেয়।
ড. ফয়জুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, মানুষ প্রতিদিন পাঁচ-দশটি বিড়ি খায়। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, কেউ যদি বিড়ি কেনার সময় দোকানে গিয়ে বিড়ি ধরিয়ে একটি সুখটান দিয়ে গল্পের ছলে দেশের অবস্থা নিয়ে কথা বলেন এবং দাঁড়িপাল্লার কথা তুলে ধরেন, তবে সেটিও একটি দাওয়াত হিসেবে গণ্য হতে পারে। তিনি দাবি করেন, তিনি এসব কথা গল্পচ্ছলে বলেন বলেই শ্রোতাদের কাছে তা আনন্দদায়ক মনে হয়।
ভিডিও বক্তব্যে তাঁকে আরও বলতে শোনা যায়, এমনও হতে পারে যে একজন মানুষ জীবনে কখনো নামাজ-রোজার সুযোগ পায়নি, কিন্তু বিড়ির সুখটানের মুহূর্তেও যদি সে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কথা বলে এবং তা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়, তাহলে আল্লাহ তার অতীতের সব ভুল ক্ষমা করে দিতে পারেন এবং তাকে ভালো মানুষে পরিণত করতে পারেন।
পুরুষ ভোটারদের উদ্দেশে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এখন থেকে কম দামে চা খাবেন, কিন্তু বেশি করে রাজনৈতিক আলোচনা করবেন। তিনি বলেন, পাঁচ টাকার চা খেয়ে পনেরো টাকার গল্প করতে হবে এবং চারপাশে বলতে হবে—সব জায়গায় ড. ফয়জুল হকের দাঁড়িপাল্লার জয়জয়কার চলছে। এতে আশপাশের আরও কয়েকজন একই কথা বলতে শুরু করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নারী ভোটারদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের রাতে ঘুমানো যাবে না। ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত জেগে থাকতে হবে। এরপর রাতে বাসায় ভালো খাবার রান্না করে স্বামীকে আদর-যত্ন করতে হবে এবং আত্মীয়স্বজনসহ সবাইকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে হবে। ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকতে হবে এবং ফলাফল জানার পর বিজয় মিছিল করে বাড়ি ফিরে ঘুমাতে হবে—এমন নির্দেশনাও দেন তিনি।
বিডি/এএন
































