চলতি বছরের এপ্রিলেও উদ্ধার হয়েছিল ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা, এবার রেকর্ড অতিক্রম

Published : ২১:০১, ৩০ আগস্ট ২০২৫
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া টাকা গণনা সম্পন্ন হয়েছে। এবার মোট ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া দানবাক্সে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কারও পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে প্রায় ৭ঃ৪৫টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজাবে রহমত গণনার ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সকালে মসজিদের ১৪টি দানবাক্স খোলা হয়, যেগুলো থেকে মোট ৩২ বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে ওই টাকা মসজিদ কমপ্লেক্সের দোতলায় আনা হয় এবং গণনার কাজ শুরু হয়।
দানবাক্স গণনায় অংশ নেন মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা, মসজিদ কমপ্লেক্সের মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পাশের জামিয়া এমদাদিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ প্রায় ৫০০ জন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ এপ্রিল মসজিদের ১১টি দানবাক্স থেকে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সেই সময়ও বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সূত্রে জানা গেছে, দান থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট মসজিদ, জেলার বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানা এবং অন্যান্য সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।
বর্তমানে মসজিদটিতে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগির এর কাজ শুরু হবে এবং কমপ্লেক্সের নাম হবে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। কমপ্লেক্সটি সমাপ্ত হলে একসাথে ৬০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।
BD/AN