গাইবান্ধায় হিমালয়ান গৃধিনী উদ্ধার
Published : ২১:৩৫, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধায় বিপন্ন প্রজাতির হিমালয়ান গৃধিনী উদ্ধার করা হয়েছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বলোরাম গ্রাম থেকে গত গত ১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পরিবেশবাদী সংগঠন টিম ফর এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (তীর) এর গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সদস্যরা (হিমালয়ান গৃধিনী) শকুনটি উদ্ধার করে গাইবান্ধা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
ধারণা করা হচ্ছে, প্রচন্ড শীতে দীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্তির কারণে শকুনটি দূর্বল হয়ে আটকা পড়ে যায়। পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের দেশগুলো থেকে নিরাপত্তা ও খাদ্যের জন্য যেসব পরিযায়ী পাখি আসে তাদের মধ্যে অন্যতম হিমালয়ান গৃধিনী।
পরিবেশবাদী সংগঠন তীর সূত্রে জানা যায়, বৃহ¯পতিবার বিকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বলোরাম গ্রামের স্বনির্ভর ক্লাবের পাশে একটি পুকুর পাড়ে শকুনটিকে দেখতে পান এলাকাবাসী। শকুনটিকে শাজাহান মিয়ার বাড়ির অঙিনায় নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ও খাবার দেওয়া হয়।
পরে তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার প্রতিনিধি দল সন্ধ্যার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে শকুনটিকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা বন বিভাগে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তীর গাইবান্ধার সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন বলেন গাইবান্ধা বন বিভাগ শকুনটিকে রংপুর বন বিভাগে পাঠান।
রংপুর বন বিভাগ শকুনটিকে উন্নত পরিচর্যার জন্য দিনাজপুরের সিংড়া জাতীয় উদ্যানের শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠাবে। বাংলাদেশে এক সময় সাত প্রজাতির শকুন থাকলেও বর্তমানে রাজশকুন বিপন্ন হয়েছে। দেশে মাত্র ২৬০টির মতো বাংলা শকুন টিকে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে হিমালয়ান গৃধিনী সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।
বিডি/এএন






























