বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব উদযাপন
Published : ১৫:২৫, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৬জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে ২৪স্টল নিয়ে শিক্ষার্থীরা হরেকরকম পিঠার পসরা সাজায়। এতে প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত ৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শাহিন উদ্দিন।
প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের কো-চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার কাজী রাসেল, কেএফএসসি শিশু কাননের প্রধান শিক্ষক সফিউল আলম টিপু, মাদ্রাসার মুহতামিম মোঃ ফারুক হোসেন সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

শিক্ষার্থীরা জানান, ব্যতিক্রমি এই আয়োজনে ফলে আমরা বিভিন্ন পিঠা তৈরি ও পিঠার স্বাদ নিতে পারছি। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা দলগত কাজ করার যে আনন্দ তা বুঝতে পারছি। আমরা চাই প্রতিবছর এমন আয়োজন করা হোক। এতে বিভিন্ন পিঠার সাথে আমরা পরিচিত হতে পারি।
শিক্ষকরা বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্যের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ। আমাদের এইখানে ২৪ স্টলে প্রায় অর্ধশত পিঠার ঠাঁই পেয়েছে।
শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পিঠা উৎসব আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সহায়ক।

প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের কো-চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌস বলেন, গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটির জম্নলগ্ন থেকে আমরাই প্রথম পিঠা উৎসবের আয়োজন করি।
এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পিঠা -ফুলির সাথে সম্পর্ক তৈরি হবে। তারা আবার পূর্বের ঐতিহ্য ধারণ করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা এগিয়ে গিয়ে যেন শিকড় ভুলে না যায় এজন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এমন আয়োজন করা হোক।
বিডি/এএন

































