শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল উত্তর ইসরায়েল

শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল উত্তর ইসরায়েল ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৭:১৭, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ক্রমশ এক ভয়াবহ ও অনিয়ন্ত্রিত মোড় নিচ্ছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত ‘প্রি-এম্পটিভ’ বা আগাম হামলার জবাবে ইরান বড় ধরনের প্রতিহামলা চালিয়েছে।

তেহরানের পক্ষ থেকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। এই হামলার ফলে ইসরায়েলের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে মুহুর্মুহু সাইরেন বেজে উঠেছে, আর বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি জানিয়েছে, ইরানের এই পাল্টা আক্রমণে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যক্ষমতার পরীক্ষা দেয়ার মুখোমুখি।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে তারা ‘অ্যারো’ এবং ‘ডেভিডস স্লিং’ সহ অন্যান্য আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সর্বোচ্চ ক্ষমতায় ব্যবহার করছে। তবে যে বিস্ফোরণগুলো উত্তর ইসরায়েলে শোনা গেছে, তা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত নাকি আকাশে ধ্বংসের কারণে সৃষ্ট শব্দ, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, উত্তর ইসরায়েলের আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা এবং ধোঁয়ার স্তর দেখা গেছে। আইডিএফ সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা বোমা শেল্টারে আশ্রয় নেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে ইসরায়েলের হামলার সঙ্গে সঙ্গে ইরানের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তাদের প্রতিহামলা বিধ্বংসী হবে। হামলার পর নিরাপত্তার কারণে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়িকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় খামেনেয়ি তেহরানে ছিলেন না; যদিও তিনি কোন শহরে ছিলেন তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement