নির্বাচন ঘিরে ২ হাজার ৯৮ নির্বাহী ও ৬৫৭ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ : ইসি

নির্বাচন ঘিরে ২ হাজার ৯৮ নির্বাহী ও ৬৫৭ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ : ইসি ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১২:৫৬, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নজিরবিহীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপরাধ দ্রুত দমন করতে সারাদেশে একযোগে বিপুল সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে মোট ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এই বিশাল প্রশাসনিক বাহিনী দেশের বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকায় তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অপরাধের তাৎক্ষণিক বিচার নিশ্চিত করতে এবং সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে রায় প্রদানের লক্ষ্যে ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তারা মোট পাঁচ দিনের জন্য নির্বাচনি মাঠে অবস্থান করবেন। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ দায়িত্ব পালন চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বিশেষ করে ভোটের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের দিন তারা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবেন।

অন্যদিকে, আচরণবিধি লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই মাঠে সক্রিয় রয়েছেন ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

পাশাপাশি রিটার্নিং অফিসারদের চাহিদা অনুযায়ী স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য আরও ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন সরাসরি নিরাপত্তা তদারকির কাজে যুক্ত থাকবেন।

সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনি এলাকায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বেআইনি কর্মকাণ্ড ঘটলে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা রাখবেন।

বিশেষ করে ভোটের দিন গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার রোধ, বুথ দখল কিংবা ভোটারদের বাধা দেওয়ার মতো ঘটনাগুলো কঠোরভাবে নজরদারিতে রাখবেন তারা।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন উপহার দিতে এই বিপুল সংখ্যক বিচারিক ও নির্বাহী কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement