কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনো স্থাপনা থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনো স্থাপনা থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২৩:৫৮, ২২ মার্চ ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে গড়ে ওঠা কোনো স্থাপনা আর রাখা হবে না। ইতোমধ্যে ভাসমান দোকানসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সৈকত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।রোববার বিকেলে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকা পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, সৈকতে গড়ে ওঠা ভাসমান দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।

এর আগে গত ৯ মার্চ কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক সপ্তাহের মধ্যে সৈকতের বালিয়াড়িতে গড়ে ওঠা অবৈধ ভাসমান স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন সুগন্ধা ও কলাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ উদ্যোগের ফলে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অনেক এলাকার দৃশ্যপট ইতোমধ্যে পরিবর্তিত হয়েছে। ভাসমান দোকান সরিয়ে নেওয়ায় সড়ক থেকে এখন পরিষ্কারভাবে সৈকতের বালিয়াড়ি ও নীল ঢেউ দেখা যাচ্ছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকেরা সৈকতের নতুন রূপ উপভোগ করছেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সুগন্ধা পয়েন্টের স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতজুড়ে টেকনাফ পর্যন্ত সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, শাহজাহান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।

এর আগে দুপুরে পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ, মেধা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে দেশে বিপুল সংখ্যক ডিগ্রিধারী বেকার তৈরি হয়েছে। কর্মসংস্থানমুখী নাগরিক গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা হবে এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement