ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধতা নিয়ে করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করেছেন। রিটে দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে কাইয়ুমের পথে আর কোনো আইনগত বাধা রইল না, এমনটাই জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
এর আগে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) একই আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রিটটি করেছিলেন। রিটে কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত করার আবেদন করা হয়েছিল।
তবে হাইকোর্টের খারিজের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম জানান, তারা আপিল বিভাগে যাবেন এবং দাবি করেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা কারোর নির্বাচনে অংশগ্রহণের বৈধতা থাকা উচিত নয়।
এদিকে এমএ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ভানুয়াতুর নাগরিক এবং সেখানে সম্পত্তি রাখছেন। তবে কাইয়ুম এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে প্রতিহত করেছেন।
১৯ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো যে আমি ভানুয়াতু নামের দেশে নাগরিকত্ব অর্জন করেছি বা সেখানে কোনো বাড়ি বা বিনিয়োগ আছে, তা একেবারেই মিথ্যা। তিনি জানান, ভানুয়াতুতে তিনি কখনো যাননি এবং অন্য কোনো দেশের দ্বৈত নাগরিক হওয়ার কোনো ইচ্ছাও তার কখনো ছিল না।
ফলে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত এবং কাইয়ুমের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঢাকা-১১ আসনের নির্বাচনে তার প্রার্থিতা এখন সম্পূর্ণ বৈধ এবং তিনি ভোটপ্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে সক্ষম।


































