জ্বালানি তেল বিক্রির বিধিনিষেধ তুলে নিলো সরকার
Published : ১৩:৫২, ১৫ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। আজ থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন তৈরি হওয়ায় সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলায় সরকার এর আগে কিছু নিয়ন্ত্রণমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে এরই মধ্যে আমদানিকৃত বেশ কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, ফলে সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের জ্বালানি চাহিদা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তেল বিতরণে আরোপিত রেশনিংসহ সব ধরনের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আজ থেকেই দেশের সব বিতরণ কেন্দ্র থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিক্রি অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ মার্চ জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। সে সময় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ বা স্থানীয় বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করা হয়।
পরে রাইডশেয়ারিং চালকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় মোটরসাইকেলে তেল বিক্রির সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। পাশাপাশি রেশনিংয়ের মাত্রাও ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল।
বিডি/এএন




























