রাত থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমাবদ্ধতা থাকছে না

রাত থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমাবদ্ধতা থাকছে না ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২০:৪২, ১৪ মার্চ ২০২৬

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আজ শনিবার (১৪ মার্চ) রাত থেকেই দূরপাল্লার বাসসহ সব ধরনের গণপরিবহনে জ্বালানি নেওয়ার ক্ষেত্রে আগে যে সীমাবদ্ধতা ছিল তা তুলে দেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীর একটি বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে যাত্রীচাপ বাড়তে শুরু করবে এবং আগামীকাল থেকে সড়কপথে ঈদযাত্রার চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।

তাই আগেই গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ রাত থেকে দূরপাল্লার বাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি নিতে পারবে এবং এ ক্ষেত্রে আর কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না।

মন্ত্রী আরও জানান, বিআরটিসির অধীনে চলাচলকারী বাসগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, নির্ধারিত সময় মেনে বাস ছাড়ছে এবং নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরিবহনগুলো নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ীই চলাচল করছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে কোথাও যাতে ভাড়া বাড়ানো না হয় বা অগ্রিম টিকিট ফেরত দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে কিছু পরিবহন জ্বালানি সংকটের কথা বলে অগ্রিম টিকিট ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, তবে সরকারের হস্তক্ষেপের পর সে ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের যেসব স্থানে নির্মাণকাজ চলছিল, সেসব স্থান থেকে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এতে অন্তত দুই থেকে তিনটি লেন যান চলাচলের জন্য সচল রাখা সম্ভব হয়েছে এবং যেখানে চার লেন রয়েছে সেখানে সবগুলো লেন চালু রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়কের জ্বালানি পাম্পগুলো ঈদের আগে সাত দিন এবং ঈদের পরে পাঁচ দিন টানা ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য যানজটের ঝুঁকিপূর্ণ ২০৭টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোথাও যানজট সৃষ্টি না হয়।

শেখ রবিউল আলম বলেন, সব প্রস্তুতি বিবেচনায় নিয়ে আশা করা হচ্ছে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। যাত্রীরা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন এবং সড়কে দীর্ঘ সময় আটকে না থাকেন, সে লক্ষ্যেই সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত ভাড়া চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না এবং বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement