রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভার মঞ্চে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুপুর ২টায় মঞ্চে উঠলে নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান, এবং তিনি হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে সারাদেশ থেকে তিনি আকাশপথে রাজশাহী বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছানোর পর তিনি সুফি সাধক হযরত শাহ মখদুম (র.) এর পবিত্র মাজার জিয়ারত করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১২টার মধ্যে মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আশপাশের মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা মিছিলের মাধ্যমে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকেও বাসযোগে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন।
মঞ্চের দুই পাশে বড় পর্দা এবং মাঠের কোণাগুলোতে আরও দুটি বড় পর্দা টানানো হয়েছে, যাতে মঞ্চের কার্যক্রম সবাই দেখতে পারেন।
এই জনসভায় অংশ নিচ্ছেন রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোট ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীরা। তারা হলেন— রাজশাহী-১: শরীফ উদ্দীন, রাজশাহী-২: মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩: মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪: ডি এম ডি জিয়াউর রহমান, রাজশাহী-৫: নজরুল ইসলাম ও আবু সাইদ চাঁদ; চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: শাহ্জাহান মিঞা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: হারুনুর রশীদ; নাটোর-১: ফারজানা শারমীন, নাটোর-২: এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩: আনোয়ারুল ইসলাম, নাটোর-৪: আব্দুল আজিজ।
মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশ শেষ করার পর তারেক রহমান সড়কপথে নওগাঁর উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। বিকাল সাড়ে ৫টায় শহরের এটিএম মাঠে আরেকটি নির্বাচনি জনসভায় তিনি বক্তব্য দেবেন। এরপর রাত সাড়ে ৭টায় বগুড়ার আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন।
উত্তরাঞ্চলের তিন দিনের নির্বাচনি সফরের দ্বিতীয় দিনে, শুক্রবার, তিনি রংপুরে যাবেন। সেখানে পীরগঞ্জে আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের পর বিকালে রংপুর ঈদগাহ মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
পরবর্তীতে শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্ক এবং বিকালে টাঙ্গাইলের চরজানা বাইপাস এলাকায় তার নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে বিএনপি চেয়ারম্যান দুই দিন বগুড়ায় হোটেল নাজ গার্ডেনে অবস্থান করবেন।
এভাবে উত্তরাঞ্চল জুড়ে তারেক রহমানের নির্বাচনি সফর চলমান থাকবে, যেখানে তিনি একাধিক জেলার নেতা-কর্মী ও সমর্থকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন এবং নির্বাচনী জনমত তৈরি করবেন।




























