দুই দিনে রাজধানীতে মিলল ৬ নারীর মৃতদেহ

দুই দিনে রাজধানীতে মিলল ৬ নারীর মৃতদেহ ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২১:০৩, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

রাজধানীতে তিনদিনের ব্যবধানে বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ছয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, এসব মরদেহ মগবাজার, গুলশান, বাড্ডা, মিরপুর, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পাওয়া গেছে।

মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া আদর্শবাগের আশা আক্তার, বাড্ডা থানার আফতাবনগরের সুবর্ণা আক্তার, বড় মগবাজার এলাকার শম্পা আক্তার, গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার সাদিয়া রহমান মীম, ডেমরার পূর্ব বক্সনগরের কোহিনূর এবং মিরপুর ১০ নম্বরের শিক্ষার্থী সানজিদা ইসলাম মিম।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে হাতিরঝিল থানার বড় মগবাজার এলাকার একটি বাসা থেকে শম্পা আক্তারের (২৬) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি তার স্বামী সুমন মিয়ার সঙ্গে সেখানে ভাড়া বাসায় থাকতেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, পারিবারিক কলহের জেরে শম্পা নিজের রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

একই দিন গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামে এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মীমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তিনি একটি বিউটি পার্লার এবং বারে কাজ করতেন।

এর আগে শনিবার আফতাবনগরের বাঘাপুরে ভাড়া বাসা থেকে সুবর্ণা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার স্বামী আজহারুল জানিয়েছেন, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়, এরপর তিনি গলায় ফাঁস নেন। এ ঘটনায় আজহারুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সেমত, মিরপুর ১০ নম্বর এলাকা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সানজিদা ইসলাম মিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার ভাই জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে অভিমান করে মিম শনিবার সকালে নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানে ফাঁস নেন।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে কোনাপাড়া আদর্শবাগের বাসা থেকে আশা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, স্বামী দেলোয়ার হোসেনের প্ররোচনায় আশা আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় আশার পরিবারের পক্ষ থেকে দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

একইভাবে ডেমরার পূর্ব বক্সনগর থেকে কোহিনূর নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজনরা জানিয়েছেন, পারিবারিক কলহের কারণে তিনি ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়েছেন।

পুলিশ এসব ঘটনায় পৃথক মামলা করেছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে।

 

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement