গরু চুরির আগে পুলিশকে ফোন, সহায়তার আশ্বাস নিয়ে চুরি!
Published : ১৩:৫৯, ২৭ মার্চ ২০২৬
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার একটি ঘটনায় এক গরুচোরের মোবাইল ফোনে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার আলাপের তথ্য পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আটক হওয়া চোর আলাল মিয়া বিষয়টি স্বীকার করলেও অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে দশানি গ্রামের মানিক মিয়ার গরু চুরির ঘটনায় আলাল মিয়াকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আলালের বাড়ি থেকে চুরি হওয়া গরু উদ্ধার করা হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ওই ফোনে পাওয়া কথোপকথনে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে আলালের যোগাযোগের কিছু আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
আটক আলাল মিয়া স্থানীয়দের কাছে স্বীকার করেছেন, তিনি আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সে সময় তিনি এএসআই মাসুদকে অর্থের বিনিময়ে সহযোগিতা পেতেন। তিনি আরও দাবি করেন, গরু চুরির আগে সম্ভাব্য সমস্যার কথা ভেবে তিনি এএসআই মাসুদকে ফোন করে সহায়তার আশ্বাস নিয়েছিলেন।
অভিযুক্ত এএসআই মোহাম্মদ মাসুদ অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, তিনি আলালকে চেনেন না, কেবলমাত্র একবার ইমোতে কথা হয়েছে এবং তার সম্পর্কে তার কোনো বিস্তারিত জানা নেই।
এদিকে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানিয়েছেন, চুরির ঘটনায় আলাল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের একজন সদস্যের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি অসৎ উদ্দেশ্যে যোগাযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি/এএন






























