চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকীকরণে নতুন পরিকল্পনা অর্থমন্ত্রীর

চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকীকরণে নতুন পরিকল্পনা অর্থমন্ত্রীর ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৬:৫৫, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকীকরণ ও বাণিজ্যিকভাবে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিস্তর উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকার।

চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এই বন্দরে বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে শুধু বিনিয়োগ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, বরং বন্দরের কার্যক্রমকে আরও উন্নত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও মনোযোগ দিতে হবে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় সুযোগ রয়েছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই চট্টগ্রাম সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ বিষয়ে নানা পরিকল্পনা রয়েছে, তবে সবকিছু এক কথায় বলা সম্ভব নয়। তিনি দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে চিহ্নিত করেছেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফর করেছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সফরসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করবেন। এরপর কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করবেন।

বেলা আড়াইটা থেকে ৩টা পর্যন্ত নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী। একই স্থানে পরে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দরসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তিনি একটি ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরবেন।

অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নেও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।”

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement