ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর ডিজাইন সম্পন্ন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর ডিজাইন সম্পন্ন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২০:২১, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে সরকার।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।

ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক জানতে চেয়েছিলেন, দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াত দ্রুত করতে ইলেকট্রিক (বুলেট ট্রেন) ট্রেন চালু করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।

উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও ডিজাইনের কাজ শেষ হয়েছে। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পরই এর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অর্থায়ন সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হবে, ফলে ট্রেনের গড় গতি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে আসবে।

ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন ও ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব সরাসরি হ্রাস করার লক্ষ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত একটি নতুন কর্ডলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দুই শহরের মধ্যে দূরত্ব ও যাতায়াতের সময় দুটোই কমবে।

এছাড়া সরকার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সম্পূর্ণ রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে:

টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশ: এই রুটগুলোতে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও ডিজাইনের কাজ শেষ হয়েছে।

লাকসাম-চট্টগ্রাম প্রকল্প: এই অংশের ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি বর্তমানে অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

টঙ্গী-আখাউড়া প্রকল্প: এই অংশের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা এবং ট্রেনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংসদের এই অধিবেশন শুরু হয়।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement