রংপুরে স্পিরিট পানে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬
Published : ১৯:০১, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
রংপুরে রেকটিফায়েড স্পিরিট পানে অসুস্থ আব্দুল মালেক ও রাশেদুল ইসলাম নামে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত তিন দিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে।
আরও দুজন গুরুতর অসুস্থ বলে জানিয়েছেন পুলিশ। নিহতরা হলেন, রংপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর বন্দর কলেজ পাড়ার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম এবং বদরগঞ্জ উপজেলা গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মালেক।
গত ১৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর আগে, গত রবিবার দিবাগত মধ্যরাতে বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুরহাট এলাকার মাদককারবারি জয়নুল আবেদীনের বাড়িতে রেকটিফায়েড স্পিরিট পান করেন। এরপর বেশ কয়েকজন অসুস্থ হন।
পরে অসুস্থদের মধ্যে মারা যান রংপুর সদর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের জেননাত আলী এবং বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন ও পূর্ব শিবপুর গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল মিয়া।
আরও বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে গোপনে বিভিন্নস্থান চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে। এ ঘটনার পর মাদককারবারি জয়নুল আবেদীনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এছাড়া একই ধরনের অপর একটি ঘটনায় মানিক চন্দ্র নামে আরও একজন মারা যান হাসপাতালে। এলাকাবাসী বলেন, উপজেলার শ্যামপুরের বসন্তপুর এলাকার জয়নুল আবেদীন চোলাই মদ ও স্পিরিট বিক্রি করেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা রবিবার রাতে তার বাড়ি থেকে রেকটিফায়েড স্পিরিট ক্রয় করে পান করেন।
পরে বাসায় ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের মৃত্যু হয়। রংপুর মেট্রোপলিটন হাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ রহমান বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর হাজিরহাট থানার বালার বাজারে স্পিরিট খেয়ে অসুস্থ হন সদর কোতয়ালী থানার শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৬০)। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় বদরগঞ্জ ও হাজিরহাট থানায় দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১০ বোতল রেকটিফায়েড স্পিরিট। বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান জাহিদ সরকার ও সদর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল গফুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিডি/এএন

































