আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু হলো আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ

Published : ১২:২১, ২৮ আগস্ট ২০২৫
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রথম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করে।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয় সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যরা। এ সময় স্টেট ডিফেন্স ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এদিন সকালে মামলার ছয় আসামিকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন—এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ।
এর আগে ৬ আগস্ট আদালত ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। তবে মামলার অন্যতম আসামি বেরোবির সাবেক ভিসিসহ মোট ২৪ জন এখনও পলাতক। তাদের পক্ষে গত ২২ জুলাই রাষ্ট্রীয় খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।
পলাতক আসামিদের হয়ে গত ৩০ জুলাই শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা। এর মধ্যে পাঁচজনের হয়ে লড়েন সুজাত মিয়া, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাদের হয়ে ছিলেন মামুনুর রশীদ। পাশাপাশি আইনজীবী ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলামও শুনানিতে অংশ নেন। এর আগে ২৯ জুলাই তিন আসামির পক্ষে আলাদা শুনানি হয়। সেদিন শরিফুলের হয়ে লড়েন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, কনস্টেবল সুজনের হয়ে আজিজুর রহমান দুলু এবং ইমরানের হয়ে সালাহউদ্দিন রিগ্যান।
মামলার অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ হয় ২৮ জুলাই। ওই দিন প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিস্তারিত অভিযোগ আদালতের সামনে উপস্থাপন করেন। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় গত ৩০ জুন এবং ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।
এই মামলায় মোট সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন ৬২ জন।
BD/AN