ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশে কমনওয়েলথের মিশন

ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশে কমনওয়েলথের মিশন ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৩:৫৬, ২২ জানুয়ারি ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই চার্টার ঘিরে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে ১৪ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমনওয়েলথ। এই পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্বে থাকবেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট এইচ ই নানা আকুফো-আদো।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) লন্ডন থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন কমনওয়েলথের মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।

ঘোষণায় তিনি বলেন, বাংলাদেশে একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য কমনওয়েলথের এই দল মোতায়েনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মৌলিক গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে কমনওয়েলথের উপস্থিতি কেবল একটি পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম নয়; বরং এই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি সংস্থাটির অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

কমনওয়েলথ মহাসচিব বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই সময় ও শ্রম দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট কমনওয়েলথ নাগরিকদের প্রতি তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

পর্যবেক্ষক দলের প্রধান আকুফো-আদোর সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম, জেন্ডার এবং নির্বাচন ব্যবস্থাপনা খাতের অভিজ্ঞ ও স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞরা যুক্ত থাকবেন। এই দলকে সহযোগিতা করবে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটের একটি সহায়ক টিম, যার নেতৃত্বে থাকবেন ইলেক্টোরাল সাপোর্ট সেকশনের প্রধান ও উপদেষ্টা লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।

কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের ম্যান্ডেট অনুযায়ী, তারা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং নির্বাচন ও গণভোট কতটা বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে—সে বিষয়ে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন প্রদান করবে। এই মূল্যায়ন বাংলাদেশের জাতীয় আইনসহ যেসব আন্তর্জাতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার আলোকে প্রস্তুত করা হবে।

মিশন শেষ হওয়ার পর পর্যবেক্ষক দল তাদের পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ ও সুপারিশ সংবলিত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমনওয়েলথ মহাসচিবের কাছে জমা দেবে। পরবর্তী সময়ে এই প্রতিবেদন বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলসমূহ, কমনওয়েলথভুক্ত সব সরকার এবং সাধারণ জনগণের জন্য প্রকাশ করা হবে।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement