দফায় দফায় সংঘর্ষের পর যমুনার সামনে থেকে সরে গেলেন আন্দোলনকারীরা
Published : ১৫:৩৩, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
এই সময় দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পুলিশ আন্দোলনকারীদের যমুনা এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে। একই সঙ্গে এলাকাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার পর আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যমুনার সামনে থেকে সরে গিয়ে শাহবাগের দিকে চলে যান। এ সময় কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।
এর আগে, বেলা ১১টার দিকে তারা মিছিলের মাধ্যমে যমুনার দিকে রওনা দেন। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছালে তারা প্রথমবার পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও লাঠিচার্জ করা হয়নি। তবে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেন।
পরে আন্দোলনকারীরা পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে পৌঁছান। সেখানে তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আরও পুলিশ সদস্য এবং বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে মোতায়েন হন।
প্রথমে পুলিশ আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে তারা তা প্রত্যাখ্যান করলে পুলিশ অভিযান শুরু করে। আন্দোলনকারীদের সরাতে বারবার জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করা হয়।
পুলিশি অভিযানের মুখে আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কের ভেতরে চলে যান। সেখানে ও পুলিশ তাদের ধাওয়া চালায়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দুপুর ১২টার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ব্যাপকভাবে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালায়।
এই ঘটনায় একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হয়, যার ফলে কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন। অবশেষে দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনা এলাকা পুরোপুরি ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যান। এ সময় চার থেকে পাঁচজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।
বিডি/এএন






























