ভিকারুননিসা শিক্ষার্থীকে লঞ্চ কেবিনে জোরপূর্বক ধর্ষণ

ভিকারুননিসা শিক্ষার্থীকে লঞ্চ কেবিনে জোরপূর্বক ধর্ষণ ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৩:০৫, ১০ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির একজন ছাত্রীকে ঢাকাগামী ফারহান-০৪ নামক লঞ্চের কেবিনের ভেতর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বয়স ১৭ বছর। গত ৮ মার্চ রোববার দুপুরের দিকে তার বাবা তাকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ফারহান-০৪ লঞ্চের ৩২৮ নম্বর কেবিনে তুলে দেন ঢাকার উদ্দেশ্যে।একই লঞ্চে একই সময়ে উঠেছিলেন মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) এবং মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২)।

লঞ্চ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর তারা ছাত্রীর কেবিনের দরজায় নক করে এবং তার বাবাকে চেনেন বলে পরিচয় দেন। তারপর তারা নিরাপত্তার অজুহাতে মোটরসাইকেল কেনার জন্য নিয়ে যাওয়া বেশ কিছু টাকা কেবিনে রাখার অনুরোধ করেন। সরল বিশ্বাসে ছাত্রী তাদের টাকা রাখতে দেন।

এরপর তারা কৌশলে কেবিনের ভেতর ঢুকে বেডে বসে পড়েন এবং কথাবার্তার একপর্যায়ে সাকিব উদ্দিন বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় তারা ছাত্রীর গলা ও মুখ চেপে ধরেন। এ সময় মিঠু তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে কেবিন থেকে বেরিয়ে যান। সাকিব উদ্দিন দরজা বন্ধ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, চিৎকার করার চেষ্টা করলে সাকিব উদ্দিন হুমকি দেন যে এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলা হবে। পরে রাত ৮টার দিকে দুজনেই আবার কেবিনে ঢুকে একইভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও হুমকি দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বার ধর্ষণ করেন।বর্তমানে ভুক্তভোগী ছাত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে এবং মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করা হয়েছে।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement