নেশার জন্য পিতার সঙ্গে শ্বশুর বাড়িতে চুরি
Published : ২২:৪৮, ৯ মার্চ ২০২৬
নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের বাসা থেকে স্বর্ণালংকার চুরি করতে গিয়ে পিতা-পুত্রকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (৮ মার্চ) রাতের ঘটনা। নেত্রকোনার মদন পৌরসভার শ্যামলী রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ বরুণ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) ও তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)-কে আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরুণের ছেলে তরুণ প্রায় দেড় বছর আগে মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিচ্ছন্ন কর্মী ও পৌরসভার বাসিন্দা অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়ে কে বিয়ে করে। বিয়ের দুই মাসের মধ্যে তারা শ্বশুরালয়ে বসবাস শুরু করে। কিছুদিন পর তারা শ্বশুরের বাসার পাশে শ্যামলী রোডে একটি ভাড়া বাসায় চলে আসে। বরুণ কর্মকার মদন পৌরসভার মাতৃ জুয়েলার্স নামক একটি দোকানে কাজ করেন।
প্রায় এক সপ্তাহ আগে নেশার টাকার জন্য পিতা-পুত্র মিলে শ্বশুর অমূল্য চন্দ্র দাসের বাসা থেকে লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার চুরি করে বিক্রি করে। রবিবার রাতে পুনরায় নেশার টাকার প্রয়োজনের কারণে তারা আবার স্বর্ণালংকার নিতে গেলে স্থানীয়রা তাদের দেখে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নেয়। পিতা-পুত্র স্বর্ণালংকার চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে।
বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, “টাকার চাপে স্বর্ণালংকার নিয়ে বিক্রি করেছি। এটা আমাদের করা ঠিক হয়নি।” তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, “আগে নেশা করতাম, এখন আর করি না। কিন্তু নেশার টাকার জন্য বাবা শ্বশুরের ঘর থেকে স্বর্ণালংকার চুরি করেছে। এটা আমাদের ঠিক হয়নি।”
ভুক্তভোগী অমূল্য চন্দ্র দাস জানান, “আমার মেয়ের জামাই নেশাগ্রস্ত। বিয়ের পর মেয়ের অলংকার বিক্রি করেছে, তারপর নেশার টাকার জন্য পিতা-পুত্র মিলে আমার ঘরের স্বর্ণালংকার চুরি করেছে।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “পিতাপুত্রকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিডি/এএন
































