নির্বাচনে হারলেও কি আমিনুলের ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়া সম্ভব? কী বলছে সংবিধান
Published : ২১:২৪, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেক আগ থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন ঢাকা–১৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।
রাজনৈতিক অঙ্গন ও ক্রীড়ামহলে তখন গুঞ্জন ছড়িয়েছিল—নির্বাচনে জয় পেলে তিনি ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন।
তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হতে পারেননি আমিনুল হক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে পরাজিত হন তিনি।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা–১৬ আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রে কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেন পেয়েছেন মোট ৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট।
বিপরীতে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক সংগ্রহ করেন ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট—অর্থাৎ খুব অল্প ব্যবধানে হার মানতে হয় সাবেক এই অধিনায়ককে।
তবে সংসদ সদস্য না হলেও আমিনুল হকের সামনে ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। কারণ বড় ব্যবধানে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
সে ক্ষেত্রে ‘টেকনোক্রেট’ কোটায় মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন তিনি—এমন আলোচনা রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে।
ক্রীড়াপ্রেমীদের একটি বড় অংশও মনে করছে, বর্তমান বাস্তবতায় আমিনুল হকের মতো যোগ্য ও ত্যাগী ব্যক্তি ক্রীড়াঙ্গনে আর খুব একটা নেই। দলীয় সূত্রেও শোনা যাচ্ছে, বিএনপি আমিনুলকে টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রী করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে।
কারণ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত অনেক সংসদ সদস্যের তুলনায় যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের দিক থেকে তিনি অনেক এগিয়ে।
এ প্রসঙ্গে উপমহাদেশের দাবায় প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, এই মুহূর্তে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি আমিনুল হকই।
দল চাইলে তাকে টেকনোক্রেট হিসেবে মন্ত্রী করতেই পারে। গত এক দশকে তিনি যে পরিমাণ জুলুম-নিপীড়ন সহ্য করেছেন, তা অনেক শীর্ষ নেতাও করেননি। ত্যাগের পাশাপাশি যোগ্যতার বিচারে তাকে সম্মান দেওয়া উচিত। এতে পুরো দেশের ক্রীড়াঙ্গনই উপকৃত হবে বলে মনে করেন তিনি।
বিডি/এএন

































