৫ শর্তে ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির নির্দেশ
Published : ১৭:৫০, ৬ মার্চ ২০২৬
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পরিস্থিতি ত্রিমুখী সংঘাতে রূপ নেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশেও।
জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় রাজধানীজুড়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। কোথাও কোথাও লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে তর্ক-বিতর্ক এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।
অনেকেই আবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি ফিলিং স্টেশন কতটুকু সরবরাহ দেবে এবং ভোক্তারা সর্বোচ্চ কতটুকু জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন— সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কত পরিমাণ জ্বালানি তেল উত্তোলন করতে পারবে সেটিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় জ্বালানি তেল গ্রহণ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে কয়েকটি বাধ্যতামূলক শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় ভোক্তাকে অবশ্যই তেলের ধরন, পরিমাণ এবং মূল্য উল্লেখ করে একটি ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে।
২. প্রতিবার জ্বালানি সংগ্রহের সময় গ্রাহককে পূর্বে কেনা জ্বালানির ক্রয় রশিদ বা বিল প্রদর্শন করতে হবে।
৩. ডিলাররা নির্ধারিত বরাদ্দ ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তাদের কাছে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।
৪. ফিলিং স্টেশনগুলোকে জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রির তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে জমা দিয়ে তেল উত্তোলন করতে হবে।
৫. তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি সরবরাহের আগে বর্তমান বরাদ্দ অনুযায়ী মজুত ও বিক্রির তথ্য যাচাই করবে এবং কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত বরাদ্দের বেশি জ্বালানি সরবরাহ করা যাবে না।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এই নির্দেশনা অনুযায়ী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিডি/এএন































