কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে ১৩ কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ

কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে ১৩ কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৬:৫৯, ৬ মার্চ ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়কর হওয়ায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ ১৩টি কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম ও পাঠদানের অনুমোদন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর রুনা নাছরিন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই স্থগিতাদেশ জারি করা হয়। বিষয়টি শুক্রবার (৬ মার্চ) প্রকাশ্যে আসে।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. সামছুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষা বোর্ডের সূত্র জানায়, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে যেসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য থেকে পাঁচ শতাংশের মধ্যে রয়েছে, সেগুলোর ফলাফলকে সন্তোষজনক মনে করা হয়নি। এ পরিস্থিতিতে গত ৭ জানুয়ারি বোর্ড চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা কমিটির সভায় ১৩টি প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণির পাঠদান এবং একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর সদরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের নিদারাবাদ ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের চানপুর আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের রামগতির সেবা গ্রাম ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার জিবগাও জেনারেল হক হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজ, কুমিল্লার দাউদকান্দির অজরা এস ই এস ডিপি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোহা স্মৃতি গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তরের শরিফুল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।

এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. সামছুল ইসলাম বলেন, অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিকভাবে খারাপ ফলাফল করছে এবং বারবার সতর্ক করার পরও শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, তাদের বিরুদ্ধেই এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত স্থায়ী নয়। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে পারলে তারা পুনরায় একাডেমিক কার্যক্রম চালুর সুযোগ পাবে।

বিডি/এএন

শেয়ার করুনঃ
Advertisement