দেড় যুগ পরেও দর্শকের হৃদয়ে জীবন্ত মান্না
Published : ১৫:৪৪, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজও বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে এক আবেগঘন দিন। জনপ্রিয় নায়ক মান্নার মৃত্যুবার্ষিকী মানেই স্মৃতির পর্দায় ভেসে ওঠে এক দাপুটে উপস্থিতি, এক সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী তারকার মুখ।
২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৪ বছর বয়সে চলে যান তিনি। কিন্তু বিদায় মানেই তো শেষ নয়। প্রায় দেড় যুগ পরেও তার সংলাপ, তার অ্যাকশন, তার আবেগী অভিনয় বারবার ফিরিয়ে আনে সেই সোনালি সময়।
১৯৮৪ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতা দিয়ে রূপালি দুনিয়ায় যাত্রা শুরু। প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘পাগলি’, আর ১৯৯১ সালের ‘কাসেম মালার প্রেম’ তাকে এনে দেয় আলাদা পরিচিতি। এরপর একে একে ‘দাঙ্গা’, ‘ত্রাস’, ‘আম্মাজান’, ‘লাল বাদশা’সহ তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে হয়ে ওঠেন ঢালিউডের ভরসার নাম।

ক্যামেরার সামনে যেমন ছিলেন সফল, তেমনি ক্যামেরার পেছনেও। প্রযোজক হিসেবে উপহার দিয়েছেন ‘লুটতরাজ’, ‘স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘আমি জেল থেকে বলছি’র মতো ব্যবসাসফল ছবি। তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, তিনবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার এবং পাঁচবার বাচসাস পুরস্কার।
ব্যক্তিগত জীবনে সহ-অভিনেত্রী শেলী কাদের ছিলেন তার জীবনসঙ্গী। তাদের একমাত্র সন্তান সিয়াম ইলতিমাস মান্না।

সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলায়, কিন্তু কিছু তারকা থেকে যান অমলিন। পর্দায় মান্নার সেই দৃঢ় চাহনি আর নায়কোচিত উপস্থিতি আজও প্রমাণ করে—ভক্তদের হৃদয়ে তিনি এখনো জীবন্ত।
বিডি/এএন


































