যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, রক্ত পাতলা রাখার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়া মাত্রার চেয়ে তিনি বেশি পরিমাণ ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, চিকিৎসক তাকে যে মাত্রায় এসপিরিন সেবনের কথা বলেছেন, তিনি তার চেয়েও বেশি গ্রহণ করেন।
ট্রাম্পের ভাষায়, “চিকিৎসকরা বলেন রক্ত পাতলা রাখতে এসপিরিন ভালো। আমি চাই না শুধু পাতলা রক্ত আমার হৃদযন্ত্রের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হোক, আমি চাই সুন্দর ও পরিশ্রুত পাতলা রক্ত আমার হার্টে চলাচল করুক। এটা কি যুক্তিসঙ্গত নয়?”—এভাবেই নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেন তিনি।
৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী প্রেসিডেন্ট। এর আগে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট ছিলেন জো বাইডেন, যিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময় ৮২ বছর বয়সে পৌঁছান। সে সময় বাইডেনের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তার পরিবর্তে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়েন কমালা হ্যারিস।
ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়েও মাঝেমধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়। সম্প্রতি তার হাতে ক্ষত দেখা গেছে, যা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়। এর আগে গত অক্টোবরে তিনি এমআরআই পরীক্ষাও করান। আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে ঘুমিয়ে পড়তে দেখা যাওয়ায় তার শারীরিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মায়ো ক্লিনিকের তথ্যমতে, ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিরা নিয়মিত এসপিরিন সেবন করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমতে পারে। সাধারণত চিকিৎসকরা প্রতিদিন ন্যূনতম ৮১ মিলিগ্রাম এসপিরিন গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে ট্রাম্পের চিকিৎসক সিন বারবাবেল্লা জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদিন ৩২৫ মিলিগ্রাম এসপিরিন গ্রহণ করেন।
সূত্র: ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল

































