১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফে সরকারের সিদ্ধান্ত
Published : ১৭:৪৫, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবগঠিত বিএনপি সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক মন্ত্রিসভার বৈঠকের মধ্য দিয়ে আজ সূচিত হলো এক নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়।
এই বৈঠকেই দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের আর্থিক স্বস্তি দিতে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা তাদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নেওয়া সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ আসল ও সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে।
পরে বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই কৃষি, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো দরিদ্র ও ক্ষুদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা এবং কৃষি খাতের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কৃষকদের সুদসহ মোট পাওনা প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা এই মওকুফের আওতায় পড়বে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, এ ঋণ মওকুফ কার্যকর হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি এটিকে সরকারের একটি যুগান্তকারী ও কৃষকবান্ধব সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যান এবং সেখানে আয়োজিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বিডি/এএন































