ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অনুরোধ বাংলাদেশের
Published : ১৬:৪৪, ৯ মার্চ ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। রোববার (৮ মার্চ) উপ-হাইকমিশনের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেন (৩৪)কে গ্রেপ্তারের তথ্য কলকাতা পুলিশ উপ-হাইকমিশনকে জানিয়েছে। এরপর ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কনস্যুলার অ্যাক্সেসের আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে।
ঢাকায় নবনিযুক্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির জানিয়েছেন, হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামিকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রয়োজনীয় কাজ চলছে।
উপ-হাইকমিশন জানিয়েছে, ভারতীয় গণমাধ্যমও গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশিকে শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে ৭ ও ৮ মার্চ দিবাগত রাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অননুমোদিতভাবে অবস্থানের অভিযোগ আনা হয়েছে। পরে রোববার তাদের স্থানীয় আদালতে হাজির করা হয়।
শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগের সময় রিকশায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, কোনো দেশের নাগরিক যদি বিদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হয়, সেই দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা তার সঙ্গে সাক্ষাত করার অধিকার রাখেন। এই অধিকারকে আন্তর্জাতিক আইনে কনস্যুলার অ্যাক্সেস বলা হয় এবং এটি ভিয়েনা কনভেনশন অন কনস্যুলার রিলেশন্সের মাধ্যমে স্বীকৃত।
বিডি/এএন
































