দুই বছর পর মা-ছেলের ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, পুরস্কৃত সিআইডি নোয়াখালী জেলা ইউনিট

দুই বছর পর মা-ছেলের ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, পুরস্কৃত সিআইডি নোয়াখালী জেলা ইউনিট

Published : ১৭:৩৭, ৩ জুন ২০২৬

প্রায় দুই বছর আগে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় নিখোঁজ হওয়া কমলা খাতুন (৩৫) ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলে নোমানকে ঘিরে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), নোয়াখালী জেলা ইউনিট। দীর্ঘদিন ধরে ক্লুলেস হিসেবে বিবেচিত এ মামলার সফল তদন্ত ও রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ইউনিটটিকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডিআইজি আলি আকবর খান সম্প্রতি নোয়াখালী জেলা ইউনিটকে এ সম্মাননা প্রদান করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে তদন্ত ও আভিযানিক দলের সদস্যরা পুরস্কার গ্রহণ করেন।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ তদন্ত, তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে মামলার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রায় এক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কমলা খাতুন ও তার শিশু সন্তান নোমানকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর ঘটনাটি আড়াল করতে তাদের মরদেহ গুম করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যের ভিত্তিতে ভিকটিমদের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সিআইডি প্রধান বলেন, জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি এ মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যে পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। সত্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের নিরলস প্রচেষ্টা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।
তিনি মামলার তদন্তে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement