দৌলতদিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ২০ জনের দেহ উদ্ধারের চেষ্টা
Published : ০৩:৩৮, ২৬ মার্চ ২০২৬
রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বুধবার (২৫ মার্চ) এক মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০ জনের বেশি যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের সুচিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
বুধবার বিকেলে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। বাসটি কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা যাচ্ছিল এবং এতে ৪৫-৫০ জন যাত্রী ছিলেন। বাসটি নদীতে তলিয়ে যাওয়ার পরই স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
প্রাথমিকভাবে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, অনেক যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এর সহায়তায় বাসটি রাত ১২টার দিকে নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে, হতাহতদের মধ্যে আরো ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর দৌলতদিয়া ঘাটে উপস্থিত হন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, এই সহায়তা সরকারিভাবে ত্রাণ তহবিল থেকে প্রদান করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান। তিনি বলেন, "এই দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে যে, উদ্ধারকার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সকল নিহত ও নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে কাজ চলছে। এছাড়া, দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো যায়।
অপরদিকে, ঢাকা ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন উদ্ধারকার্যক্রমের তদারকি করছে এবং দ্রুততম সময়ে সব তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।































