ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আবহে দেশজুড়ে উদযাপিত হলো ঈদুল আজহা
Published : ২০:০৪, ২৮ মে ২০২৬
ত্যাগ, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্য দিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসবে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের জামাতে অংশ নেন লাখো মুসল্লি।
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দান-এ সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হয় প্রধান ঈদ জামাত। জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিচারপতি, কূটনীতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ঈদের নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
এদিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক জামাতের আয়োজন করা হয়।
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জামাতে অংশ নেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা। সেখানে মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
নামাজ শেষে রাজধানীজুড়ে শুরু হয় পশু কোরবানির কার্যক্রম। বিভিন্ন এলাকায় পরিবার, প্রতিবেশী ও স্বেচ্ছাসেবীরা একে অপরকে সহযোগিতা করে কোরবানি সম্পন্ন করেন। নগরবাসীর ব্যস্ত সময় কাটে পশু জবাই ও মাংস বণ্টনের কাজে।
ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচার করা হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। পাশাপাশি হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও শিশু সদনে পরিবেশন করা হয়েছে উন্নতমানের খাবার।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপিত হয়েছে। কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ-এ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯তম ঈদ জামাত। এছাড়া চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ এবং দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানেও বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
































