শহীদ জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনায়কোচিত আদর্শ প্রজন্মের জন্য চিরপ্রেরণা হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি
Published : ০২:৫৭, ৩০ মে ২০২৬
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে, নির্মোহ জীবন, দৃঢ় ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং বাস্তববাদী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর ভূমিকা জাতির স্মৃতিতে চিরকাল উজ্জ্বল থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, গভীর দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শহীদ হন জিয়াউর রহমান। তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের অন্যতম স্থপতি।
তিনি আরও স্মরণ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান সশস্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জানান, যা সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ, স্বনির্ভরতা অর্জনের কর্মসূচি এবং ১৯ দফা কর্মসূচি একটি আত্মনির্ভর বাংলাদেশের রূপরেখা হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করে তিনি বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার সম্প্রসারণে অবদান রাখেন।
শেষে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, স্বল্প সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের উন্নয়নে যে অবদান রেখে গেছেন, তা আজও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
































