হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দেওয়া নিয়ে যা জানাল ভারত
Published : ০১:২৬, ১৪ মার্চ ২০২৬
শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আটক দুইজনকে স্থানীয় আদালত ১৪ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। এদিকে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাংবাদিকরা। এ সময় সাংবাদিক গৌতম লাহিড়ি জানতে চান, হাদির হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া দুই সন্দেহভাজনকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে কি না কিংবা তাদের কনস্যুলার অ্যাকসেস দেওয়ার বিষয়ে ভারতের অবস্থান কী।
জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ইতোমধ্যে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান তদন্তের আওতায় রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সমীচীন নয়।
এর আগে রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) জানায়, চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশি দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল।
পরে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শনিবার গভীর রাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), যিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), যার বাড়ি ঢাকায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন একসঙ্গে ওসমান হাদিকে হত্যা করার পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যায়। পরে তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসে।
এ ঘটনায় ভারতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বিডি/এএন































