হালান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে সিটির দুর্দান্ত শুরু
Published : ১১:৪০, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। পোর্তোর মাঠে প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার আটকে গেলেও বিরতির পর নিজেদের শক্তি দেখিয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। শেষ পর্যন্ত আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে ২–০ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরেছে সিটি।
প্রথমার্ধে দেয়াল হয়ে ছিলেন দিয়োগো কস্তা
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে এগিয়ে ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। একের পর এক আক্রমণ করেও অবশ্য প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি তারা। এর মূল কারণ পোর্তোর গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স।
২১ মিনিটে ফিল ফোডেনের ক্রস থেকে হালান্ডের শক্তিশালী হেড দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন কস্তা।
এরপর ৩২ মিনিটে আবারও সিটির আক্রমণ রুখে দেন তিনি। বক্সের ভেতর হালান্ডের শট ঠেকানোর পরপরই রায়ান শের্কির নিচু শটও প্রতিহত করেন পোর্তোর এই গোলরক্ষক।
সিটির ২০টি শটের মধ্যে ১০টি ছিল লক্ষ্যে। এর আটটিই আটকে দেন ২৬ বছর বয়সী কস্তা। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যেই প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকে।
বিরতির পর বদলে গেল ম্যাচের চিত্র
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভেঙে যায় পোর্তোর প্রতিরোধ।
৪৭ মিনিটে বল গোলকিক হওয়ার আগেই বাঁ প্রান্তে সেটি বাঁচিয়ে কাটব্যাক করেন শের্কি। এরপর এনজো ফার্নান্দেসের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে বল জালে পাঠান হালান্ড।
১–০ গোলে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে পোর্তো। ৫৪ ও ৫৮ মিনিটে তারা দুটি ভালো সুযোগও তৈরি করে। তবে ফিনিশিংয়ে ব্যর্থ হওয়ায় সমতায় ফিরতে পারেনি স্বাগতিকরা।
নিজেদের ভুলে বিপদে সিটি
৬৬ মিনিটে নিজেদের ভুলেই বড় বিপদে পড়ে ম্যানচেস্টার সিটি।
বক্সের বাইরে এসে আড়াআড়ি পাস দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা। পোর্তোর এক খেলোয়াড় সেই পাস আঁচ করে বল পায়ে লাগিয়ে দেন। তবে সৌভাগ্যক্রমে বল পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
তাতে অল্পের জন্য সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় পোর্তো।
যোগ করা সময়ে হালান্ডের দ্বিতীয় গোল
ম্যাচের শেষ দিকে আবারও আক্রমণের ধার বাড়ায় ম্যানচেস্টার সিটি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রায়ান আইত-নুরির পাস পেয়ে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন হালান্ড।
তার দ্বিতীয় গোলেই নিশ্চিত হয়ে যায় সিটির ২–০ ব্যবধানের জয়।
আগুয়েরোর পাশে হালান্ড
চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এটি হালান্ডের ৩৬তম গোল। এর মাধ্যমে ক্লাবটির হয়ে এই প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোলদাতা সার্জিও আগুয়েরোর পাশে বসেছেন তিনি।
আরও বড় এক রেকর্ডও গড়েছেন নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার। চ্যাম্পিয়নস লিগে মাত্র ৫৯ ম্যাচ খেলেই তার গোলসংখ্যা এখন ৫৯।
পোর্তোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে আরও একবার প্রমাণ করলেন, ইউরোপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে গোল করার ক্ষেত্রে হালান্ড কতটা ভয়ংকর।
































