অপহরণ করে দাদা-নাতি মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
Published : ২১:২৬, ১০ মার্চ ২০২৬
মাদারীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক নাবালিকা কিশোরীকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা দাদা ও নাতি সম্পর্কের দুই ব্যক্তি। অসুস্থ অবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার ওই কিশোরীকে গত সোমবার (৯ মার্চ) সকালে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।অভিযোগপত্র অনুসারে, প্রায় দুই মাস আগে কালকিনি উপজেলার পশ্চিম আলিপুর এলাকার এক যুবক ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান।
কিশোরী নাবালিকা হওয়ায় পরিবার সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এরপরও বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মধ্যে একপ্রকার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা যায়।গত ৪ মার্চ সকালে কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে কালকিনি এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয়।
পরবর্তীতে তাকে মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।ভুক্তভোগী কিশোরীর দাবি, প্রথমে কালকিনি এলাকায় দাদা নওয়াব আলী সরদার তাকে ধর্ষণ করেন। পরে মুন্সিগঞ্জে নিয়ে গিয়ে নাতি মিলন সরদার আবারও একই কাজ করেন।স্বজনদের খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
অসুস্থ ও দুর্বল অবস্থায় তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।মাদারীপুর সদর হাসপাতালের পুলিশ ইনচার্জ (এএসআই) আব্দুর রাজ্জাক ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মীর রায়হান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীকে ভর্তি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, এক কিশোরীর ওপর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলা দায়ের হলে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিডি/এএন

































