রবীন্দ্রনাথ মানবতা ও বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন প্রেরণা : আইনমন্ত্রী

রবীন্দ্রনাথ মানবতা ও বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন প্রেরণা : আইনমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

Published : ০২:০৯, ৯ মে ২০২৬

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালি জাতিসত্তা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তিনি আমাদের জন্য এক নিরন্তর অনুপ্রেরণার উৎস।

শুক্রবার বিকেলে খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক আলোচনায় আইনমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ শুধু বাংলার সম্পদ নন, তিনি বিশ্বসাহিত্যেরও উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার সাহিত্যকর্ম মানুষের মানবিকতা, সৌন্দর্যবোধ ও জীবনচিন্তাকে যুগে যুগে সমৃদ্ধ করেছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে রবীন্দ্রচর্চা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে পারলে তরুণ সমাজ মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে সৃজনশীল কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা করেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুচি রানী সাহা।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে কবিগুরুকে স্মরণ করেন শিল্পীরা।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement